April 17, 2021, 9:28 pm

উওরার প্রায় ২০ হাজার রিক্সা চালক- মালিক মহা টেনশনে

মুহাম্মাদ মহাসিন (অনুসন্ধানী প্রতিবেদক)
রাজধানীর উওরার তুরাগ,দক্ষিনখান,উওরখান, উওরাপূর্ব -পশ্চিম থানা এলাকায় প্রায় ২০ হাজার রিক্সা চালক মালিক চরম কষ্টের মাঝে আছে গ্যারেজ ভাড়া ও চালকদের খাবার নিয়ে মহা টেনশনের মাঝে হিমশিম খাচ্ছে তাদের পাশে কেউ নেই?
সরকারী সহায়তায় খাবার সামগ্রী দিচ্ছে না জনপ্রতিনিধিরা আবারো মনে চাইলে কিছু কিছু চালক মালিকদের খাবার সামগ্রী দিচ্ছে এনিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ উঠেছে।

অন্যদিকে প্রায় ১০ হাজার ইজিবাইক,অটো রিক্সা,লেগনা চালক-মালিক,হেলপার,মেকার, দীর্ঘদিন ধরে বেকার হওয়ার কারনে গাড়ী গুলো না চলাচল করায় অর্থর সংকটে পড়েছে এনিয়ে হাফিয়ে উঠছে আর্থিক সংকট মোকাবেলা করা নিয়ে।

রিক্সা চালকরা বলেন আমারা এখানের ভোটার না হওয়াতে সরকারী খাবার পাচ্ছি না এবং এলাকার জনপ্রতিনিধি কমিশনার বলেছে এই ওয়ার্ডের ভোটার না হলে খাবার দিবে না।
একদিকে রাস্তায় মানুষ নাই যাত্রী নাই, মার্কেট বন্ধ,দোকান বন্ধ, মানুষের চলাচল না থাকায়
পড়ছি বিপদে রিক্সার জমার টাকা উঠছে না।
তুরাগের টেকপাড়া লেকের পাড়ে একটি রিক্সার গ্রাজের মালিক মোঃ ফারুক জানান আমার এখানে প্রায় ১ শত রিক্সা আছে সব রিক্সা দেখেন বসা রোডে গেলে পুলিশ পিটাই,থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, রাস্তায় মানুষ নেই, রাস্তায় রিক্সা নিয়ে গিয়ে কী করবে
জমার টাকা তো উঠাতে পারে না রিক্সা চালকরা।
বিভিন্ন রিক্সা গ্যাজেরে গিয়ে দেখা যায় শারি শারি করে রিক্সা গুলো তালা মারা। চালকা বসে আড্ডা দিচ্ছে ও ঘুমাচ্ছে অনেকে কোনরকমভাবে খেয়ে না খেয়ে দিন সময় পার করছে।
যত টেনশনঃ
বিপদের মধ্যে আছে অনুসন্ধান জানা গিয়েছে।
যেমনঃ রিক্সার মালিকের রিক্সা চালকরা নিয়ে রাস্তায় বের হতে পারছে না তো অন্য দিকে চালকের কাছে টাকা না থাকায় মালিকের নিকটে টাকা চেয়ে বিরক্ত করছে এবং গ্যারেজের খাবার বিল দিতে পারছে না বাকী খাওয়াতে হচ্ছে চালকদের। বিষয় গুলো জানান তুরাগের ও উওরার রিক্সার গ্যারেজ
মালিক ও দায়িত্বশীল কর্ণধার ( অন্য জীবন) এর মোঃ শামীম হোসেন নান্নু, আরো বলেন রিক্সার চালকদের চেয়ে মালিকরা বিপদেই আছে উল্লেখ করেন যে প্রায় ২০ হাজার রিক্সা চালক বেকার রাস্তায় বের হতে পারছে না এবং গ্যারেজের খাবারের টাকা আগে নিয়মিত দিতো এখন বাকী খাওয়াতে হচ্ছে।
আমার মতো হাজারো রিক্সার মাহাজন কষ্টের মাঝে আছে গ্যারেজ ভাড়া নিয়ে ও রিক্সা রোডে চলছেনা চালকদের খাওয়াতে হচ্ছে, অনেকে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় রিক্সা নিয়ে বের হলেও রোডে মানুষ নেই রিক্সার যাত্রী নেই এবং মোড়ে মোড়ে পুলিশের ঝামেলা পোহাইতে হয়।
দিয়াবাড়ী ও ১২ নং সেক্টর বালুর মাঠের রিক্সার মাহাজন কালাম জানান
গ্যারেজে রিক্সা সব কী করবো কোথায় চালাবে রিক্সা চালকরা রাস্তায় গেলে পুলিশের পিটুনি ও জমার টাকা তুলতে পারছেনা। মানুষ নেই রাজপথে আমি গ্রারেজে বসে বসে রিক্সা গুলো পাহাড়া দিতাছি ভাই।
অসহায়ে রিক্সার চালক-মালিক আমাদের পাশে কেউ নেই?।

আব্দুল্লাহপুর বেড়িবাঁধ থেকে আটিপাড়া রোডে প্রায় হাজারো ইজিবাইক অটোরিক্সা চলাচল করতো এবং পায়ের রিক্সা দুই শতাধিক, অটো রিক্সা শতাধিক,
এই প্রায় ১৩ শত চালকের পরিবারে কমপক্ষে চার হাজার সদস্য এবং এক হাজার মালিক আছে ও অর্ধ শতাধিক গ্যারেজ। সবাই কর্মহীন হয়েছে কাজের লোকজন বেকারে আরো কষ্টের মাঝে আছে।
আজমপুর কাঁচাবাজার মাজার রোডে অটো ইজিবাইক, লেগুনা হিউম্যান, অটো রিক্সা মিলে হাজার ছাড়াইবে এক হাজার হলে পাঁচ হাজার মানুষের জীবন জীবীকার ভরসা সব বন্ধ হয়েছে।

হাউজবিল্ডিং থেকে খালপাড় দিয়া বাড়ী এলাকায় লেগুনা শতাধিক হাজারো পরিবারের ভরসা বন্ধ হয়েছে।
জসিম উদ্দিন রোড থেকে বাউনিয়া রোডে লেগুনা, অটো ইজিবাইক এক হাজার সদস্য দুই হাজারের উপরেই হবে।
আজমপুর পুর্ব পাশ ও পশ্চিম পাশে ও জসিম উদ্দিন, রাজলক্ষি,হাউজবিল্ডিং,আব্দুল্লাহপুর, সহ উওরায় লাখের উপরে হকার্স বেকার হয়েছে।
আব্দুল্লাহপুর,টঙ্গী রেল ব্রিজ
রেলগেট থেকে আদম আলী মার্কেট,জয়নার মার্কেট,ফরিদ মার্কেট,কসাই বাড়ী রেললাইনের পাশে
লাখো বস্তিবাসী রয়েছে ঝুপড়ি ঘর তুলে থাকেন নিম্নশ্রেণীর লোকজন তাঁরা কঠিন অসহায়ের মাঝে জীবন পার করছেন এর মাঝে অনেকে ত্রান সামগ্রী পাইলে ও বেশিরভাগ লোকজন পাইনি বলে অভিযোগ উঠছে।
মোঃ উজ্জল – ফুটের দায়িত্বশীল জানান
হাউজবিল্ডিং পশ্চিম পাশে প্রায় পাঁচ শত হকার্স রয়েছে অনেক দিন ধরেই বেকার হয়েছে দোকান খোলা যাচ্ছে না তো এবং রাস্তায় মানুষ চলাচল নেই
তা-ই ফুটের দোকানদারেরা পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টের মাঝে আছে বাসা ভাড়া সহ ফ্যামেলি নিয়ে পাঁচ শত দোকানদারদের পরিবারে ২ হাজার লোক আছে আরো বলেন আমাদের কষ্টের কাহিনী প্রচার করার দরকার নাই ভাই জানাজানি হলে আরো কষ্ট বাড়বেই পাশে কেউ আসবেনা তো?।

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!