April 11, 2021, 4:50 pm

চান্দ্রায় ছেলে মেয়ের মধ্যে মন দেওয়া নেওয়ায় দু’জনের সেচ্ছায় কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে সম্পূর্ন হয়।


মোঃ হোসেন গাজী।।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নে দঃ বালিয়া ৯ নং ওয়ার্ডে ছিডু বেপারীর ছেলে মনির বেপারী (২৮) এর সাথে পার্শ্ববর্তী কুদ্দুস শেখের মেয়ে চাঁদপুর সরকারি কলেজের ছাত্রী রেদোয়ানা আক্তার লুবনার (১৮)এর সাথে উভয়ের মধ্যে মন দেওয়া নেওয়ায় এক পযার্য়ে তাদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তারা দুজনে কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে বিবাহ বন্দ্ধনে আবদ্ধ হন। এবং তারা দুজনই বিয়ের পরপরই বৈধ সংসার করে আসছে। এলাকার কিছু কুচক্রী মহল তাদের বিয়ে ভাঙ্গার জন্য পাঁয় তারা করে যাচ্ছে।
কুদ্দুস শেখের মেয়ে চাঁদপুর সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্রী।
কলেজে আসা যাওয়ার পথে সিডু বেপারীর ছেলে মনির বেপারি সাথে মন-দেওয়া নেওয়া সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার ২৮এপ্রিল ছেলের বাবা ছিডু বেপারী জানায়, আমরা ১৩ নং হানারচর ইউনিয়নের সাদুল্লাহপুর চরের নদী ভাংতি একটি পরিবার। কয়েক বছর আগে আমরা ১২ নং চান্দ্রা দক্ষিণ বালিয়া গ্রামে এসে জায়গা কিনে বসত বাড়ি নির্মান করে থাকি। তিনি আরও জনায় আমার ছেলে মনির হোসেন বেপারীর সাথে প্রতিবেশী কুদ্দুস শেখের মেয়ে রেদোয়ানা আক্তার লুবনার সাথে গত ০২/০২/২০২০ইং তারিখে কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে তাঁরা দুজনের মতামতের ভিত্তিতেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ছেলের বাবা আরও জানান তাঁদের দুজনেরই কোটের স্ট্যম্পে স্বাক্ষর আছে। এদিকে রেদোয়ানা আক্তার লুবনা এবং স্বামী
মনির বেপারী জানান, আমরা উকিলের মাধ্যমে এফিডেভিট করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে ২’লাখ টাকা কাবিন করা হয়েছে এবং কাবিনের কাগজ পত্র আমাদের কাছে আছে।এ ব্যাপারে ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার সিদ্দিকুর রহমান বেপারী বলেন উভয় পরিবারের দায়-দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানান এবং তিনি বলেছেন মেয়েকে ঘরে রাখার জন্য তার কথা মতোই মেয়েকে ঘরে রাখা হয়েছে। স্তানীয়রা জানান আমরা শুনেছি তাদের দুজনেরই কোর্ট ম্যারিজের স্ট্যাম্পে লিখিত স্বাক্ষর আছে। পরিবারের দাবি নবদম্পতির ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল কামনা করে এলাকার সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!