May 6, 2021, 3:43 am

News Headline :
সুজানগর মনিরুল উলুম দাখিল মাদ্রাসায় এতিমদের সাথে ইফতার মাহফিল বাচ্চা নিয়ে মার্কেটে যাওয়ায় ১২ মা-বাবাকে জরিমানা চাটখিলে একাধিক মামলার আসামী ও তার সহযোগী মাদকসহ আটক। ফরিদগঞ্জে মাদ্রাসায় পড়ুয়া  এক  কিশোরীর আত্মহত্যা বারদী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ৫ শত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করেন দাইয়ান মেম্বার। সোনাগাজীর মজলিশপুরে সেচ্ছাসেবক লীগের কার্যালয় উদ্বোধন ও ইফতার বিতরণ। হাতিয়ায় সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসীর হামলা। শ্রীনগর ষোলঘরে নগদ অর্থ বিতরণ ঘোড়াশালে রেমিট্যান্স যোদ্ধা হারুনের পক্ষে ইফতার বিতরণ বেলাবতে মরহুম হাজী আঃ বাতেন ভূইয়া স্মৃতি সংসদের পক্ষ হতে ইফতার ও দোআ মাহফিল অনুষ্ঠিত

দীর্ঘ দুই মাস অভিযান শেষে ভোলার মেঘনায় মাছ ধরা শুরু

মোঃআল-আমিন, ভোলা জেলা প্রতিনিধি ॥ ইলিশের প্রজনন মৌসুম হিসেবে মার্চ এপ্রিল দুই মাস মেঘনা-তেতুলিয়ার ২৯০ কিঃমিঃ নদীতে সকল প্রকার মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। নিষেধাজ্ঞা শেষে ১লা মে শুক্রবার থেকে মেঘনা নদীতে ইলিশ শিকারে নামবে তজুমদ্দিন উপজেলার প্রায় ২৫ হাজার জেলে। দীর্ঘ বিরতির পর মাছ ধরতে এরইমধ্যে জাল, নৌকা মেরামতসহ সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলেরা।

মাছ ধরা শুরু হলে জেলে মৎস্য ব্যবসায়ী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় ফের জমজমাট হয়ে উঠবে এ উপজেলার প্রায় ৮-১০টি মৎস্য ঘাট।
সরেজমিন ঘুরে জেলেদের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, দুই মাস নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার পর আজ থেকে নদীতে মাছ শিকারে যাচ্ছেন তারা। নিষেধাজ্ঞার এসময়ে তারা নৌকা জাল মেরামত করে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। বিকল্প কোন কর্মসংস্থান না থাকায় গত দুই মাস ধরে ধারদেনা করে চলছে তাদের সংসার। নদীতে মাছ ধরা পড়লে দেনা পরিশোদ করে পরিবার পরিজন নিয়ে সামনের দিনগুলো ভালো থাকবে এমন আশা করছে তারা।

তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমান বলেন, এ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে প্রায় ১৮ হাজার ৫২০ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছে। এদের মধ্যে থেকে ৭ হাজার ৫শ ৫৫ জেলের নামে পুনর্বাসনের চাল বরাদ্দ দেয় সরকার। যেহেতু জেলের সংখ্যা অনেক বেশি তাই সরকারিভাবে যে পরিমান বরাদ্দ পাওয়া গেছে তাতে অর্ধেকের চেয়ে বেশি জেলে সরকারি এ সুবিদা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জেলেদের সংখ্যা বিবেচনা করে বরাদ্দের পরিমান বাড়নো উচিত। এছাড়া ১লা মে থেকে জেলেরা নদীতে মাছ ধরতে পারবে তবে ৩০ জুন পর্যন্ত কোন জাটকা ইলিশ ধরা যাবে না।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রাসেদ খান বলেন, ফেব্রুয়ারী থেকে মে পর্যন্ত ৪ মাস জেলেদের বিশেষ ভিজিএফের আওতায় এ উপজেলায় প্রায় ১২শ মেঃ টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৫শ ৫৫জন জেলকে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে দুই মাসের চাল দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের আরো এক মাসের চাল বিতরণের জন্য ডিও দেওয়া হয়েছে। শিঘ্রই এক মাসের চাল বিতরণ করবে।

উপজেলা নির্বহী অফিসার আশ্রাফল ইসলাম বলেন, নিবন্ধিত সমসংখ্যক জেলের বিপরিতে পুনর্বাসনের বরাদ্ধ দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!