September 26, 2021, 3:26 am

News Headline :
এসডিজি অর্জনে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিশাল আনন্দ মিছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকী উদযাপন ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের আগমনে চাঁদপুরজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আলোচনা ঝিকরগাছায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে করণীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন——- প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অপকর্মে লিপ্তদের তালিকা করা হচ্ছে মতলব উত্তরে কলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ হোসাইন শিপুর উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র জন্মদিন ও এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার প্রাপ্তি উপলক্ষে মোহনপুর ইউনিয়ন আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথসভা ছেংগারচর পৌর আওয়ামীলীগ আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম জন্মদিনে আলোচনা সভা মতলব উত্তরে বৃক্ষ রোপন ও মাস্ক বিতরণ মতলব উত্তরে শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্ম দিনউপলক্ষ্যে আনন্দ মিছিল

বর্তমান সমাজের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সৈয়দ আপেল মাহমুদ মিটু

রেজাউল আম্বিয়া রাজুঃ ফরিদপুর জেলার নবগঠিত সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রংরায়েরকান্দী গ্রামের বাসিন্দা চৌকস, সৎ পুলিশ অফিসার (ডি.এস.বি), বীর মুক্তি যোদ্ধা পিতা সৈয়দ আবুল হোসেন এবং মাতা সাবেক জনপ্রতিনিধি জোৎসানা বেগমের কোল আলোকিত করে ১৯৭১ সালের ১৫ই মে সম্ভ্রান্ত সৈয়দ পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন সৈয়দ আপেল মাহমুদ মিটু। বাবার চাকুরী সূত্রে বাবার হাত ধরে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়েছে সেই ছোট্ট মিটুকে। মিটুর পড়া লেখার হাতে খড়ি ৮১ নং নলছিটি বন্দর সঃপ্রাঃ বিদ্যালয় থেকে।জনাব মিটু ছোট বেলা থেকেই ছিলেন মেধাবী, বিনয়ী, মিশুক ও ইসলামপ্রিয় প্রকৃতির লোক। ৭ম শ্রেণীতে পড়াকালীন সময়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সম্পাদক এর নেতৃত্বে স্কুল কমিটির প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে রাজনৈতিক কর্ম কান্ডে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৮৮ সালে নলছিটি ডিগ্রী কলেজে ভর্তি হবার পর তৎকালীন স্বৈরশাসক এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভাবে ভূমিকা রাখেন এবং নলছিটি ডিগ্রী কলেজ ছাত্র-ছাত্রী সংসদ নির্বাচনে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে এ,জি,এম পদে মনোনয়ন পান, যদিও এরশাদ সরকারের ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্র সমাজের সন্ত্রাসী কর্ম র্কান্ডের জন্য নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়। ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতা সহ কবিতা, প্রবন্ধ লেখার চর্চা শুরু করেন।তার লিখিত কাব্য গ্রন্থ ১৯৯১ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। তাছাড়া তিনি জাতীয় ও স্থানীয় বেশ কয়েকটি পত্রিকায় জেলা প্রতিনিধী, সহ: বার্তা সম্পাদক, প্রুফ রিডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। যার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হচ্ছে দৈনিক আজকের কাগজ, দৈনিক ভৌরের কাগজ, দৈনিক রূপালী, দৈনিক অর্নিবান, দৈনিক পত্রিকা, সাপ্তাহিক শিরীন, সাপ্তাহিক মুকসুদপুর বার্তা প্রভৃতি। এসময় তিনি নলছিটি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এইচ.এচ.সি পাশ করার পর দক্ষিণ বাংলার অক্সফোট নামে খ্যাত ব্রজ মোহন বিশ্ব বিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষার জন্য ভর্তি হন। ভর্তি হবার পর পরেই তিনি মুসলিম হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। পাশাপাশি ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সদস্য, কেন্দ্রীয় নিবাহী কমিটির সদস্য, ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। একান্ত আলাপ কালে তিনি জানান রাজনৈতিক জীবনে যাদের সহযোগীতা পেয়েছেন তাদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হচ্ছে, জনাব আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমদ, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, সাহেরা খাতুন প্রমুখ। এছাড়া বর্তমান ঝালকাঠি জেলা আওয়ামীলীগের সম্পাদক জনাব মোঃ খাঁন সাফুল্লাহ পনির, জাহাঙ্গির কবির নানক, বলরাম পোদ্দার বাবলুর কথা না বললেই নয়।রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সাংস্কৃতিক কর্ম কান্ডেও ওতোপ্রত ভাবে জড়িত ছিলেন। এসময় তিনি বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর ঝালকাঠির জেলা সভাপতি, পর্যায় ক্রমে তিনি শেখ রাসেল যুব পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন। ছাত্র রাজনীতি করার জন্য তিনি বারংবার পুলিশের নির্যাতন নিপীড়ন ভোগ করেন। ১৯৯১-৯২ সালের বাকসু নির্বাচনে তিনি ছাত্রলীগের ব্যানারে ছাত্র প্রতিনিধি হিসাবে নির্বাচিত হন। অন্য দিকে আইন পেশার প্রতি ঝোঁক থাকায় তিনি বরিশাল আইন মহা বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে তিনি ছাত্রলীগের ব্যানারে বরিশাল আইন মহা বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী নির্বাচনে জি.এস পদে মনোনয়ন পান।যদিও আইনি জটিলতার কারনে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়নি। তিনি শুধু একাই প্রতিষ্ঠিত হবার চেষ্টা করেননি, যার প্রমান আজকের মাই টিভির চিত্র গ্রাহক মানিক লাল ঘোষ, ইনডিপেনন্ডেট টিভির কামরুজ্জামান লিটন উল্লেখ যোগ্য। এদেরকে তিনি নিজ হাতে সাংবাদিকতা পেশা শিখিয়ে আজকের সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শিক্ষা জীবনে তিনি রাষ্ট্র বিজ্ঞানে মাষ্ঠাস সহ এল, এল, বি শেষ করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট সদস্য। ছাত্র জীবন শেষ করে তিনি বর্তমানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে মৌলভীবাজার জেলার
কুলাউড়া ও জুড়ী উপজেলার সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে যোগদান করার পর থেকেই একের পর এক সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডের মাধ্যমে যুব সমাজের মন কেড়ে নেন। যুবদের বেকারত্বের হাত থেকে মুক্তি দেবার জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ শেষে সরকারের পাশাপাশি তিনি নিজ উদ্যেগে অর্থনৈতিক সহযোগীতার মাধ্যমে কর্ম সংস্থানের সৃষ্টি করেন, সে জন্য তিনি সব শ্রেণীর মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। এছাড়া জুড়ী উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিসের ৫ম পর্ব অত্যান্ত সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে শেষ করেছেন। যা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অন্য দিকে তিনি তার গ্রাম রংরায়েরকান্দীর পৈত্রিক জমিতে নিজ গ্রামের নামে রংরায়েরকান্দী সঃপ্রাঃ বিদ্যালয় স্থাপন সহ জামে মসজিদ, ঈদগাহ নির্মান করেছেন।গরীব, দুঃখি অসহায় মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্তির টাকা, ফরম ফিলাপের টাকা সহ বই খাতা ক্রয় করার জন্য অর্থ অকাতরে দান করে যাচ্ছেন। যা বর্তমান সমাজে অনুকরনীয় দৃষ্টান্তা। জনাব মিটু ৪ ভাই বোনের মধ্যে সবার বড়, ছোট ভাই সৈয়দ নাজমুল হোসেন লিটু ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচিত সভাপতি।

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!