April 11, 2021, 4:02 pm

ভালুকায় করোনা রোগী শনাক্ত পৌরসভায় লকডাউন জোরদার

ফয়জুন্নাহার সুলতানা, ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :
ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের খারুয়ালী গজারীখাল এলাকার বাসিন্দা আবু হানিফা (৬০) নামে এক কিডনী রোগী করোনা হিসাবে শনাক্ত করা হয়েছেন। তার পিতার মোবারক হোসেন। করোনা রোগী শনাক্তের বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাঁর ফেইস বুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। এরপর রাত সোয়া ১১টার সময় ভালুকা পৌরসভার লকডাউন আরো জোরদার করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামাল।
সূত্রে জানাযায়, আবু হানিফ গত ৩মাস যাবত কিডনী রোগে ভোগছেন। তার একটি কিডনি ৭৫ভাগ ও অপরটি ৮০ভাগ খারাপ ধরা পড়েছে। তিনি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) থেকে প্রতি সপ্তাহে ২বার ডায়লোসেস করতেন। গত শনিবার (১৮এপ্রিল) তিনি প্রাইভেট ক্লিনিকে ডায়লোসেস করতে যান। ক্লিনিক থেকে তাঁকে বলা হয় করোনার পরীক্ষা করে আসার জন্য। তিনি শনিবার হাসপাতালের ল্যাব এ গিয়ে নমুনা দিতে পারেন নি। তিনি রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ এসকে হাসপাতালে গিয়ে নমুনা (ছোয়াব) দিয়ে আসেন। রাতে এসকে হাসপাতাল থেকে মোবাইল ফোনে উপজেলা স্থাস্থ্য ও পপ কর্মকর্তাকে জানানো হয় আবু হানিফের কোভিড-১৯ পজেটিভ। এরপরই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোমেন শর্মা তাঁর ফেইস বুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেন ‘ভালুকা পৌরসভার খারুয়ালী ৭নং ওয়ার্ড গজারি খাল এলাকায় ভালুকার প্রথম রোগী শনাক্ত হয়েছে’।
আবু হানিফ জানান, আমি গত ৩মাস যাবত কিডনী রোগে ভোগছি। সপ্তাহে ২দিন ডায়লোসেস করতে হয়। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় আমি আমার ছেলেকে নিয়ে মটর সাইকেলে গিয়ে ময়মনসিংহ হাসপাতালে ডায়লোসেস করি। আমি এসকে হাসপাতালে রোববার করোনার নমুনা দিয়ে এসেছি। আমি এখনো রিপোর্ট পাইনি। আমার করোনার কোনো উপসর্গ নেই। একটু স্বাস কষ্ট আছে যা ডায়লোসেস করা রোগীদের এমন সমস্যা থাকে। ডায়লোসেস করা পর স্বাস কষ্ট ঠিক হয়ে যায়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামাল জানান, পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে একজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাই পুরো পৌরসভার লকডাউন আরো জোরদার করা হয়েছে। সোমবার সকালে আবু হানিফকে আইসোলেশনের জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!