May 6, 2021, 3:00 am

News Headline :
সুজানগর মনিরুল উলুম দাখিল মাদ্রাসায় এতিমদের সাথে ইফতার মাহফিল বাচ্চা নিয়ে মার্কেটে যাওয়ায় ১২ মা-বাবাকে জরিমানা চাটখিলে একাধিক মামলার আসামী ও তার সহযোগী মাদকসহ আটক। ফরিদগঞ্জে মাদ্রাসায় পড়ুয়া  এক  কিশোরীর আত্মহত্যা বারদী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ৫ শত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করেন দাইয়ান মেম্বার। সোনাগাজীর মজলিশপুরে সেচ্ছাসেবক লীগের কার্যালয় উদ্বোধন ও ইফতার বিতরণ। হাতিয়ায় সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসীর হামলা। শ্রীনগর ষোলঘরে নগদ অর্থ বিতরণ ঘোড়াশালে রেমিট্যান্স যোদ্ধা হারুনের পক্ষে ইফতার বিতরণ বেলাবতে মরহুম হাজী আঃ বাতেন ভূইয়া স্মৃতি সংসদের পক্ষ হতে ইফতার ও দোআ মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্বপ্ন কলিদের যত্ন।


শিশুদের জীবন দলছুট হরিণের মত।তারা গতিবন্ধ জীবন হতে বেরিয়ে আসতে চায়।তারা বাঁধার প্রাচীর ভাঙ্গতে চায়।শিশুরা চায় নীল আকাশের নিচে উন্মুক্ত জীবন যেখানে কোন ধরাবাঁধা নিয়ম শৃঙ্খলা থাকবেনা।খোলা আকাশের নিচে, স্কুলে,নিজের মত খেলতে চায়,শিখতে চায় আনন্দের সাথে।তাই শিশুর মানসিক ও শারিরীক চাহিদা অনুযায়ী তাদের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হয়।কিন্তু এই স্বপ্ন কলি আমাদের আদরের সোনা মনিরা মরন ঘাতী করোনা সম্পর্কে জানেই বা কতটুকু? করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্ব আজ আতংকিত। আমাদের দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে কোভিট-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। অনেক দিন ধরেই স্কুল, কলেজ বন্ধ।শিশুরা বাসাতেই সময় কাটাচ্ছে। এমন অবস্থায় শিশু সন্তানদের নিয়ে অভিভাবকদের চিন্তা বাড়ছে।এই সময় শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা খুব প্রয়োজন। প্রথমত শিশুদের বাইরে না যাওয়ার ব্যবস্হা করতে হবে সুকৌশলে। তাদের পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা অভিভাবকদের জরুরী দায়িত্ব। পরিবারের সদস্যরা বাইরে থেকে এসেই শিশুদের কাছে আগে যান,কিংবা জরিয়ে ধরে আদর করার প্রবনতা অনেকেরই। এটা করা যাবে না।আপনারা জরুরি কারন ছাড়া বাইরে যাবেন না।বাহির থেকে এসে পোষাক পরিবর্তন করা,হেন্ড সেনিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া, অজু করার মতই সব কিছু পরিচ্ছন্ন করা আর সবচেয়ে ভালো হয় একেবারে গোসল করে -পোষাক পরিচ্ছদ ধুয়ে তারপর শিশুর কাছে যাওয়া উত্তম। এই সময় আপনার সন্তানদের অতিথি, গৃহশিক্ষক, গৃহকর্মী, গাড়ি চালকদের সংস্পর্শে আনা যাবেনা।শিশুদের হাঁচি কাশির শিষ্টাচার সম্পর্কে ধারনা দিন।এই সময় দিনে বেশ কয়েকবার তো বটেই,প্রতিবার খাওয়ার পূর্বে, টয়লেট থেকে আসার পর হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন।এখানে একটা মজার ব্যাপার যোগ করা যায়, আপনি ওদের দিয়ে একটি হাত ধোয়ার কৌশলের ছবি অংকন করাবেন এবং ঘরের দৃশ্যমান জায়গায় ঝুলিয়ে রাখতে বলবেন এবং হাত ধোয়ার প্রতিযোগিতা মজার ছলেই দিতে পারেন।একটি দাগ কাটা কাগজে হাত ধুয়ে এসেই টিক চিহ্ন দিবে।সপ্তাহে যার যত বেশী হবে সে হবে “ফ্রেস হেন্ড অফ দি উইক”। এতে শিশুরা মনের আনন্দেই হাত ধোয়ার প্রতি অনুপ্রানিত হবে। হাত না ধুয়ে শিশু যেন মুখ,চোখ,নাক না স্পর্শ করে তা শেখাতে হবে।পরিবারের কারো ঠান্ডা জনিত সমস্যা দেখা দিলে শিশুদের কাছ থেকে দূরে রাখুন।মনে রাখতে হবে জ্বর, ঠান্ডা,হাঁচি কাশি হলেই যে করোনা হবে এমন কথা নয়।এটা সাধারন ফ্লু জনিত হতে পারে।প্রাথমিক ভাবে মাস্ক ব্যবহার,হাত ধোয়া, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা মেনে চলতে হবে।প্রয়োজনে সব কিছু আলাদা ব্যবহার করার অভ্যাস করুন।প্রতিদিন শিশুদের টেলিভিশনের প্রচারিত সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান, সংবাদ দেখার সুযোগ করে দিতে হবে।এইক্ষেত্রে একটা মজার কাজ করা যেতে পারে,,প্রতিদিন নিজেদের “পারিবারিক টক সো ” আয়োজন করতে পারেন।শিশুরাও বড়দের সাথে অংশ নিবে।এই আলোচনায় দৈনিক আপডেট চলে আসবে।শিশুদের মধ্যে দেখবেন তথ্য সংগ্রহ করার আগ্রহ বেড়ে যাবে এবং মহামারী করোনার বিষয়ে সচেতন হবে।ঘরের যেসব স্হান বার বার স্পর্শ করা হয় যেমন,,দরজা জানালার হাতল,টয়লেট দরজার হাতল,চেয়ার,টেবিল,ডায়নিং,মোবাইল,লেপটপ,কিবোর্ড, টেলিভিশনের রিমোট কন্ট্রোল, সোফা সেট ইত্যাদি জীবানু নাশক দিয়ে প্রতি দিন পরিস্কার রাখুন।শিশুদের হাতে টাকা পয়সা দেওয়া যাবেনা।প্রতি দিন ঘরের ফ্লোর জীবানু নাশক দিয়ে পরিস্কার করতে হবে।শিশুদের ব্যবহৃত জামা কাপড় প্রতিদিন সাবান,ডিটারজেন্ট দিয়ে ধৌত করা খুবই জরুরি। এসময় খাবার তালিকায় প্রতিদিন অবশ্যই সুষম খাদ্য রাখতে হবে।যেসব খাবারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, অবশ্যই নিয়মিত খেতে হবে।মাছ,মাংস,দুধ,ডিম এসব খাবার অন্য সময়ের চেয়ে একটু বেশী সাপ্তাহিক তালিকায় রাখা উচিৎ। ভিটামিন সি,ই,এ,বি সমৃদ্ধ খাবার শিশুদের খেতে দিন।এসময় শিশুদের লেবু,পেয়ারা, কলা,কমলা,আমলকি খেতে দিন।বাজার থেকে মাছ,মাংস,শাখ সব্জি ভালো ভাবে ধূয়ে নিবেন এবং কম সিদ্ধ অবশ্যই খাওয়া যাবেনা।এই সময় একটি ভেষজ প্যাকেজ নেওয়া যেতে পারে এবং তা আনন্দের সাথেই।একটু ছড়া লেখার দুঃসাহস দেখালাম আরকি!ছড়াটি আবৃত্তি করান শিশুদের দিয়ে,,,”রসুই ঘরের রসুন,,,তার আছে অনেক গুন,,,,একটু খানি লেবুর রস,,,,টক টক মজার বেশ,,,,,হলুদ আমার প্রিয় রং,,,,,চলে যাবে করোনার ঢং,,,,নিম তুলসির পাতা খানি,,,,এনে দাওগো মামনি” শিশুদের দিয়ে এই ছড়াটি আবৃত্তি করাবেন প্রতিদিন।ওদের হাতে লেখা ছড়াটি এবং সাথে ছবিও থাকবে,,,,ঘরের দেয়ালে ঝুলিয়ে দিন।তাহলে শিশুরা এই ভেষজ গুলোর প্রতি আকৃষ্ট হবে।প্রতি দিন একটু লেবুর সরবত,আদা চা,তুলসি পাতার চা,এক টুকরো রসুন,এক টুকরো কাঁচা হলুদ,দুই/ তিনটি নিম পাতা খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং শিশুদেরও দিতে পারেন।এই ভেষজ প্যাকেজ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দিবে৷ এসময় পরিবারের সবাই একটু বেশী পানি খাবেন এবং শিশুদের বার বার পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন।হালকা গরম পানিতে লেবু মিশিয়ে প্রতিদিন তিন চার খাবেন।এবার শিশুদের পড়াশুনার বিষয়ে একটু বলা দরকার।দীর্ঘ দিন স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুদের স্বাভাবিক লেখাপড়ার বিষয়টিতে অবশ্যই ভিন্নতা আসবে এটাই স্বাভাবিক। কারন শিশুরা স্কুল ভীষণ পছন্দ করে।সেখানে তারা ওদের প্রিয় শিক্ষকদের সহচর্যে হেসে খেলে আনন্দের সাথে শিখবে।কিন্তু এই সময় তারা বাসায় বন্দী। এই অবস্হায় ওদের লেখাপড়া থেকে একেবারেই বিচ্ছিন্ন করা যাবেনা।অভিভাবকদের এই সময় বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।টেলিভিশনে প্রচারিত “আমার ঘর,,আমার স্কুল” এ সিডিউল অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেনির পাঠ দেখানো হচ্ছে।এই পাঠগুলো নিয়মিত শিশুদের দেখানোর দায়িত্ব আপনাদের।এই সময় অভিভাবক হিসেবে আপনিও পাশে থাকবেন এবং একজন সহযোগী হিসেবে অনেক কিছুতে সহায়তা করতে পারবেন।বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মোবাইল নাম্বার নিশ্চই আপনাদের কাছে আছে।ফোনে শিক্ষক দের সাথে নিজে অথবা শিশুরা পড়াশুনার গাউড লাইন নিতে পারে।যাদের বাসায় নেট এর ব্যবস্হা আছে তারা টিচারদের সাথে ভিডিও ক্লাসে অংশ নিতে পারে।যেসকল শিক্ষার্থীরা বাংলা ও ইংরেজি রিডিং সাবলীল ভাবে পড়তে পারেনা ওদের এইসময়ে এই দূর্বলতা কাটিয়ে উঠার চমৎকার একটি সময়। অভিভাবকগণ, বড় ভাইবোন এই সময় শিশুদের মেইন বই গুলো বার বার রিডিং পড়াবেন।পাঠের

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!