Breaking News
Home / সমগ্র দেশ / চট্টগ্রাম বিভাগ / চাঁদপুর / চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরী ঘাট এলাকায় মেঘনায় টানেল বা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ

চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরী ঘাট এলাকায় মেঘনায় টানেল বা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ

মোঃ হোসেন গাজী।।

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধের মঙ্গলবার পুরান বাজার হরিসভা এলাকায় শহররক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন।

এ সময়ে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, চাঁদপুর-শরীয়তপুর নৌপথে হরিণা ফেরী ঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে টার্নেল বা সেতু নির্মাণের প্রচেষ্টা চলছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী আলহাজ্ব ডা. দীপু মনি এমপি এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন । আমরা শীঘ্রই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলে পরবর্তী উদ্যোগ গ্রহণ করব।

জনাব একে এম এনামুল হক শামীম আরা বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বেড়েছে। সারাদেশে ১৬হাজার ৭০০ কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে। ৫ হাজার ৭শ’ ৫৭ কিলোমিটার উপকূলীয় অঞ্চলের বাঁধ। এছাড়া আড়াই হাজার কিলোমিটার দূগ বাঁধ রয়েছে।

তিনি বলেন, নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা চাঁদপুর ও আমার নির্বাচনী এলাকা শরীয়তপুরের অনেক এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ । আমরা বাংলাদেশের সকল ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা গুলি চিহ্নিত করেছি । সবগুলোতেই স্থায়ী প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালের চাঁদপুর পুরান বাজারে রাতে যখন ভাঙ্গন শুরু হয়, তখন ভোরবেলায় আমি এখানে এসে উপস্থিত হয়েছি। এবারও ইমাজেন্সি ওয়াক করে হরিসভাকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি।

চাঁদপুর শহরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য ৪২০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। এজন্যই টেকনিক্যাল কমিটির পরিদর্শন। এ প্রকল্পটি একনেকের পাঠানো হবে।

উপমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা পাঁচ-দশ বছরের জন্য প্রকল্প করতে চাইনা। কমপক্ষে ৫০ বছরের জন্য স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে। চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের প্রকল্পটি আগামী বর্ষার আগেই আমরা শেষ করব।

এ সময়ে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো, মাজেদুর রহমান খান, পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । পরে উপমন্ত্রী কোস্টগার্ডের স্পিড বোর্ড যুগে শরীয়তপুরের উদ্দেশ্যে রওনা করেন।সন্ধ্যায় পুনরায় চাঁদপুর হয়ে লঞ্চযোগে ঢাকা চলে গেছেন।

Check Also

মতলব উত্তরে বসতঘর পুড়ে ছাই

মো.নাঈম মিয়াজী, মতলব উত্তর (চাঁদপুর) : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার আদুরভিটি গ্রামের মৃত …

Powered by themekiller.com