হালিমা আক্তার নীলার “বিজয়ী” ও “সফল নারী উদ্যোক্তা” হওয়ার গল্প

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নারীরা আজ কোন কাজে পিছিয়ে নেই, নিজ যোগ্যতায় এগিয়ে যাওয়া স্বপ্ন দেখে অনলাইন ও ঘরে বসে ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে। আর ঘর সংসার সামলে নিজের পরিচয় তৈরি করতে কাজ করে সফলতা পেয়েছে মুগ্ধ বি ফ্যাশনেবল এর স্বত্বাধিকারী হালিমা আক্তার নীলা।লেখা পড়ার পাশাপাশি অনলাইনে ব্যবসা করে নীলা এখন একজন নারী উদ্যোক্তা এবং আর্থিকভাবে সাবলম্বী।

প্রতিবেদকঃ আপনার বিজয়ী নারী উদ্যোক্তা হওয়ার শুরু গল্প টা জানতে চাই –

উওরঃ- একটি কবিতা দিয়ে শুরু করতে চাই-
আমি নারী পেরোতে পারি সাত সমুদ্র নদী,,
নীরবে – নিভৃতে বয়ে যাই নিরবধি দিতে পারি নিজেকে বিসর্জন
আমি নারী শত কষ্ট নিমিষেই ভোলাতে পারি,
কোমল প্রতিচ্ছবি আমি প্রেয়সী প্রিয়তমা…

আমি লকডাউন মধ্যে চিন্তা করলাম বাসায় বসে কি করা যায়, তারপর আমি অনলাইনে ব্যবসা শুরু করি, আলহামদুলিল্লাহ প্রথম থেকে সবাইর সার্পোট পেয়েছি।

প্রতিবেদকঃ আপনার পন্য সম্পর্কে বলুন –

উত্তরঃ লেডিস ওয়ান পিস, টু পিস, থ্রি পিস গ্রাউন, কুর্তি, টপ্স জিন্স, হিজাব, শাড়ি, বোরকা, শাড়ি কম্বো।

প্রতিবেদকঃ আপনার ব্যবসায়িক অবস্থা কীভাবে বেড়েছে, ভবিষ্যতে পরিকল্পনা কি –

উত্তরঃ প্রথমে বলবো আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালা কাছে শুকরিয়া , যে কোন কাজ করতে গেলে প্রথমে ধৈর্য থাকতে হবে, ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে প্রতিদিন তো সেল হবে না কোন দিন দশ হাজার টাকা ও সেল হবে কোন দিন হবে ও না সুতরাং সবার উদ্দেশ্য বলবো ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে, হয়তো হার মেনে নে নাই বলে এতদূর আসতে পারছি

নারী হিসেবে ব্যবসা করতে এসে কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সম্মুখীন হয়েছেন কি —-

প্রথমে বলবো আমাকে আমার ফ্যামিলি সাপোর্ট করছে সব সময় হ্যা মেয়ে হিসেবে কাজ করতে গেলে দুই চারজন মানুষ বাজে মন্তব্য করবেই, তা কানে নেইনি এগিয়ে চলেছি।

প্রতিবেদকঃ উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বেশি কার সহযোগিতা ও পেয়েছেন এবং কিভাবে পেয়েছেন

উত্তরঃ প্রথমে আমার আম্মু কথা বলবো আমার আম্মু আমাকে সব কাজে সাহস দেয় সাপোর্ট করে, আমার ফ্যামিলি আমার হাসবেন্ড , বোন ভাই , বাবা, আমার বড় বোন হাসবেন্ড বড় ভাই মত ওনি যখন শুনছে আমি অনলাইন বিজনেস করবো আমার জন্য টাকা পাঠায়

প্রতিবেদক – নতুন নারী উদ্যোক্তা জন্য আপনার পরামর্শ কি –

উত্তর, যেই আপুরা ফ্যামালি গত ভাবে দূর্বল ঘরে বসে কিছু করতে চান তাদের অনলাইন বিজনেস করতে পারেন আমিও চাই নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হোক। সম্প্রতি আমি চাঁদপুরের প্রথম ট্রেনিং বেইজ নারী সংগঠন বিজয়ী এর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান আপুর সাথে পরিচয় হয়ে বিজয়ী থেকে প্রশিক্ষন নিয়ে হাতের কাজগুলো শিখছি এবং নিজেই পন্য উৎপাদন শুরু করেছি। আমার জানা মতে চাঁদপুরে না সারা দেশে বিজয়ী এর মত এমন প্লাটফরম নেই, যে নারীদের ভাগ্য উন্নয়নে ফ্রি প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।
তাই সবাই আর দেরী না করি, তানিয়া ইশতিয়াক খানের সাথে যোগাযোগ করে বিজয়ী থেকে ফ্রি প্রশিক্ষন নিয়ে নিজে সাবলম্বী হই, নিজের একটা পরিচয় তৈরি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আজকের দিন-তারিখ
  • সোমবার (রাত ৯:৩৭)
  • ২৮শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • ৪ঠা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি
  • ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)
পুরানো সংবাদ
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০