রাউজান( চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের রাউজানে বন্যায় ক্ষতবিক্ষত হয়েছে গ্রামীণ অবকাঠামো। কৃষকের আমন বীজতলা ও গ্রামীণ রাস্তাঘাট ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।বন্যার পানিতে ভেসে গিয়েছে পাঁচ শতাধিক পুকুরের মাছ। কৃষক ও মৎস্যজীবীদের লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।উচু এলাকা থেকে বন্যার পানি কমলেও এখনো নিম্মঞ্চল পানিতে ডুবে রয়েছে। বৃহস্পতিবার পরিদর্শন কালে দেখা গেছে, রাউজান পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের জানালী হাটের পশ্চিম পাশে ডাবুয়া খালের ভাঙ্গনে ক্ষেত্রপাল বিগ্রহ মন্দির সড়ক বিধস্ত হয়ে পড়েছে।পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মাণ করা ডাবুয়া খালের বেড়িবাঁধ ধসে গেছে। বালু আর সিমেন্টের বস্তা দিয়ে বেড়িবাঁধটি নির্মাণ করেছে একমাস হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। জানা যায়,পাহাড়ী ঢলের শ্রোতের পানিতে ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে ডাবুয়া খাল, খাশখালী খাল, কলমপতি খাল, রাউজান খাল, মুকছড়ি খাল, হরনাথ ছড়াখাল, ভোমর ঢালা খাল, কেউচিয়া খাল। এসব খালের পানি প্রবাহিত হয়ে বসতবাড়ী, সড়ক ও জমির ফসল ব্যাপক ভাবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।রাউজান উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম বলেন, বন্যায় রাউজানের জনগনের চলাচলের সড়ক সহ প্রধান প্রধান সড়ক ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পারিমান নির্ধান করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখনো বেশীর ভাগ সড়ক পানিতে ডুবে থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্ধারন করা সম্ভব হয়নি।
রাউজান উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পিযুষ প্রভাকর বলেন, রাউজানে পাঁচ শতাধিক পুকুর জলাশয় পানিতে ডুবে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরীর কাজ চলছে। রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুস সামাদ শিকদার বলেন, বন্যায় রাউজানে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে । এখনো নিম্মঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্ধারন করতে কাজ করছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।পানি নেমে গেলে সর্ম্পূণ ভাবে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করা যাবে।

