January 22, 2022, 8:31 pm

News Headline :
যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার অভ্যাস করি- চেয়ারম্যান প্রিয়তোষ চৌধুরী ইবিকে বাস উপহার দিলো অগ্রণী ব্যাংক করোনায় ১৭ জনের মৃত্যু, শনাক্তের হার ২৮.০২ মতলব উত্তরে নিশ্চিতপুর কল্যাণমূলক সংগঠনের শীতবস্ত্র বিতরণ ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের শীতার্তদের কম্বল বিতরণ ফরাজীকান্দি ইউপি’র চেয়ারম্যান ইঞ্জি. রেজাউল করিমের দায়িত্ব গ্রহন ও শোকরানা মিলাদ হাজীগঞ্জে দেয়াল চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু চিলমারীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের মাঠে-ঘাটে চলছে দৌড় ঝাপ। শেরপুরে যুব সংস্থার উদ্যোগে শীতবস্র ও খাতা-কলম বিতরণ সোনারগাঁয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে কিশোর গ্যাং কালচার

এম.এ ওহাব আমাদের চেতনার বাতিঘর প্রেসকাবে আলোচনা সভায় খোরশেদ আলম সুজন

মুক্তিযুদ্ধের অগ্রণী সংগঠক, মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও হাটহাজারী প্রতিরোধ যুদ্ধের সিপাহশালার সাবেক সংসদ সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সাবেক সদস্য ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এম. এ ওহাব কে তাঁর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে। গতকাল বিকালে চট্টগ্রাম প্রেস কাবে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক মিলনায়তনে তাকে স্মরণ করে নিবেদিত একটি আলোচনা সভা ও স্মৃতিতর্পন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। মূলধারা’৭১ এর আয়োজনে প্রবীণ রাজনীতিক ও মুক্তিযোদ্ধা ইন্দু নন্দন দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী। এম. এ ওহাবের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. রেজাউল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মঈন উদ্দীন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমা হারুণ লুবনা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ কুমার আচার্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা কিরণ লাল আচার্য, বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সমাজসেবী দীপঙ্কর চৌধুরী কাজল, মরহুম এম.এ ওহাবের জামাতা আ ফ ম মাহমুদুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধের সন্তান আরাফাতুল মন্নান ঝিনুক ও জয়নুদ্দীন আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা জামশেদুল আলম চৌধুরী।
মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন যারা মহৎ কাজে তাদের জীবন উৎসর্গ করেন তারা মরেও অমর। তিনি বলেন চট্টগ্রামে এম.এ আজিজ ও জহুর আহমদ চৌধুরী পরেই বড় রাজনৈতিক নেতা ছিলেন এম.এ ওহাব। তিনি একজন ত্যাগী, সৎ ও আদর্শবান রাজনীতিবিদ ছিলেন।
খোরশেদ আলম সুজন বলেন, এম.এ ওহাব ছিলেন আমাদের রাজনৈতিক চেতনার বাতিঘর। তিনি বিলাসিতা ও বিত্ত ভৈরবে গা ভাসিয়ে না দিয়ে আদর্শের রাজনীতিতে আত্মানিয়োগ করেছিলেন। এম.এ ওহাব ত্যাগের রাজনীতি করেছেন। যারা ভোগের রাজনীতি করে তারা সময়ের সাথে হারিয়ে যায়। কিন্তু তাদের রাজনীতি ত্যাগের মহিমায় ভাষ্মর তারা যুগ ধরে বেঁচে থাকেন। এম.এ আজিজ, জহুর আহমদ চৌধুরী, এম.এ ওহাব ও আব্দুল্লাহ আল হারুনরা এমনই ত্যাগী রাজনীতিবিদ ছিলেন। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল এম.এ ওহাবের সাহচর্য্য পাওয়ার।
রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, এম.এ ওহাব আপাদমস্তক একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। রাজনৈতিক সেকাল ও একালের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে হলে ওহাব সাহেবদের কাছে যেতে হবে। এম.এ ওহাব একজন অনুকরণীয় ব্যক্তি ছিলেন। তার আচার-আচরণ, চলাফেরা ও দৈনন্দিন জীবন যাত্রা সবই স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট মন্ডিত ছিল। তিনি রাজনীতিতে সর্বোচ্চ পদ পেয়েছিলেন বঙ্গন্ধুর কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন যার ফলে তিনি দু’বার আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন। কিন্তু এতসব পেয়েও কোন ভোগবিলাস ছিল না। সাদামাঠা জীবন যাপন করতেন। তার মধ্যে কোন অহমিকা ছিলনা। তিনি মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশে যেতেন। এম.এ ওহাবদের বাঁচিয়ে রাখার সর্বশ্রেষ্ঠ উপায় হচ্ছে তাদের আদর্শকে অনুসরণ করা। নিজের জীবনে তাদের আদর্শের ব্যক্তিফলন ঘটাতে পারলেই এম.এ ওহাবের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!