November 28, 2021, 8:54 am

News Headline :
কচুয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুস সালাম সওদাগর আগামী ৫ জানুয়ারি ৫ম ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কচুয়ার ইউপি নির্বাচন ফলোআপ: চারদিনে ও নিহত তিন শিক্ষার্থীর পরিবারকে শান্তনা দিতে পাশে দাঁড়ানি কেউ হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোতালেব জমাদার ১ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এম ই ফাউন্ডেশনের আয়োজনে নিউ বিজনেস ক্রিয়েশন প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সনদপত্র বিতরণ ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে বিভিন্ন দফতরে মিথ্যা অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন সোনারগাঁয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, প্রাইভেটকার জব্দ। রাউজান দক্ষিন হিংগলা তৈয়্যবিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে চালু হলো সাপ্তাহিক ফ্রি হোমিও চিকিৎসা ক্যাম্প আগামীকাল ফুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন,বিশৃঙ্খলা রোধে তৎপর প্রশাসন।

কান্না করায় ১৮ মাসের শিশুকে হত্যা করলো আপন ফুফু

নিউজ ডেস্কঃ

কুমিল্লার দেবীদ্বারে আমির হামজা নামে ১৮ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যুর ছয় মাস পর হত্যা রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। কান্নায় বিরক্ত হয়ে শিশুাটর আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার তাকে হত্যা করে।

তদন্ত ও সুরতহাল রিপোর্ট প্রাপ্তির সাপেক্ষে শিশুটির হত্যা রহস্য উদঘাটন করে আসামি আপন ফুফু স্বপ্না আক্তারকে রোববার (৩০ মে) গ্রেপ্তার করে দেবীদ্বার থানা পুলিশ।

সোমবার (৩১ মে) স্বপ্না আক্তারকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে কুমিল্লা ৪নং আমলি আদালতের বিচারক রোকেয়া বেগমের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িতের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন তিনি।

নিহত শিশু আমির হামজা উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাইচাপাড়া গ্রামের আল আমিনের ছেলে।

থানা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মাটিতে বসে কান্না করছিল শিশু আমির হামজা। পাশেই রান্না করছিলেন তার আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার। তখন শিশুটি অতিরিক্ত কান্না করায় স্বপ্না আক্তার বিরক্ত হয়ে তরকারি গরম করার কাঠি দিয়ে প্রথমে শিশুটির গলায় আঘাত করে। পরে শিশুটিকে খাটের বিছানায় চেপে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে সে বাঁচার জন্য খিচুনি রোগে মারা গেছে বলে চালিয়ে দেয়।

ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মাহবুবুর রহমান জানান, আমির হামজার মৃত্যুর পর তার ফুফুসহ পরিবার সকলে বলছিল খিচুনি রোগে তার মৃত্যু হয়। তখন দেবীদ্বার থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন তার মা সালমা বেগম। তখন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন এসআই মোর্শেদ। তিনি অন্যত্র চলে যাওয়ায় চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি তদন্তভার পরে এসআই মাহবুবুর রহমানের হাতে।

গত ২৮ মে সকালে শিশুটির ময়নাতদন্ত ও সুরতহাল রির্পোট হাতে পেলে ঘটনায় ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। মেডিকেল রিপোর্টের সূত্র ধরে শুরু হয় অধিকতর তদন্ত ও পর্যালোচনা।রোববার (৩০ মে) রাতে শিশুটির ফুফু স্বপ্নাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই আগের অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলায় স্থানান্তর করে তাকে আসামি করে আদালতে পাঠানো হয়।

দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, শুধু কান্নাকাটি করার জন্য একটি শিশুকে হত্যা করেছে তারই আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার।

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!