January 22, 2022, 9:23 pm

News Headline :
যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার অভ্যাস করি- চেয়ারম্যান প্রিয়তোষ চৌধুরী ইবিকে বাস উপহার দিলো অগ্রণী ব্যাংক করোনায় ১৭ জনের মৃত্যু, শনাক্তের হার ২৮.০২ মতলব উত্তরে নিশ্চিতপুর কল্যাণমূলক সংগঠনের শীতবস্ত্র বিতরণ ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের শীতার্তদের কম্বল বিতরণ ফরাজীকান্দি ইউপি’র চেয়ারম্যান ইঞ্জি. রেজাউল করিমের দায়িত্ব গ্রহন ও শোকরানা মিলাদ হাজীগঞ্জে দেয়াল চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু চিলমারীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের মাঠে-ঘাটে চলছে দৌড় ঝাপ। শেরপুরে যুব সংস্থার উদ্যোগে শীতবস্র ও খাতা-কলম বিতরণ সোনারগাঁয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে কিশোর গ্যাং কালচার

কুষ্টিয়ায় ডোপ টেস্ট করে ৯ পুলিশ মাদকাসক্ত সনাক্ত

রোকনুজ্জামান কুষ্টিয়া প্রতিনিধি॥

ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়ায় কুষ্টিয়া জেলায় কর্মরত আট পুলিশ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে বলে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে দু‘জন উপপরিদর্শক (এসআই), দু‘জন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এবং বাকিরা কনস্টেবল পর্যায়ের। এ ছাড়া এক সার্জেন্টসহ দু‘জনের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত আছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেওয়ার পর মাদকের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেন। মাদক ব্যবসায়ী, সেবনকারীদের বিষয়ে যেমন কঠোর ব্যবস্থা নেন, তেমনি পুলিশে কারা কারা মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত তাও খূঁজে বের করা নির্দেশ দেন। এরপর মাদক ব্যবসায়ীদের পাকড়াও করার পাশাপাশি পুলিশেও শুরু হয় শুদ্ধি অভিযান। আইজিপির নির্দেশে পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করার উদ্যোগ নেন পুলিশ সুপার। তিনি সহেন্দভাজন ও গোয়েন্দা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২০১৯ সালের মে মাসে প্রথম কয়েকজন পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট করানোর নির্দেশ দেন। পরীক্ষায় এসব সদস্যের নিয়মিত মাদক সেবনের রিপোর্ট আসে। এরপর গত দেড় বছরে পর্যায়ক্রমে ১১ জনের ডোপ টেস্ট করা হয়। এর মধ্যে ৯ জনই মাদক সেবন করতেন বলে ধরা পড়ে। পরীক্ষায় দু‘জন এসআই, দু‘জন এএসআই মাদক সেবনে জড়িত বলে জানা যায়। এ ছাড়া এক এসআইর কাছে মাদক পাওয়া যায়। যাদের মধ্যে একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট রয়েছেন।
মাদক সেবনকারী এসব পুলিশ সদস্য বিভিন্ন থানা ও ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। মাদকের বিষয়টি ধরা পড়ায় বিভাগীয় মামলার পাশাপাশি প্রথম দিকে অন্য জেলায় বদলি করা হয় তাদের। এর মধ্যে এক এসআইকে রাঙামাটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর ওই সার্জেন্টকে কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রাখা হয়েছে।
মাদক সেবনের বিষয়টি ধরা পড়ার পর অন্য সবাইকে বিভিন্ন জেলায় বদলি করা হয়। তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের আটজনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত বলেন, মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপিও মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই শুদ্ধি অভিযান চলছে। আমরা কুষ্টিয়া থেকে মাদক নির্মূলের পাশাপাশি পুলিশ থেকেও চিরতরে মাদকাসক্তদের বাড়িতে পাঠাতে চাই। কোনো মাদক সেবনকারীর পুলিশে চাকরি করার অধিকার নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!