September 17, 2021, 11:21 pm

News Headline :
মতলব উত্তরে দি ইনভিন্সিবল ব্যাচ ৯/১১ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ফিনল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাসে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৯০৭ কুয়াকাটাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছে বিডি ক্লিন কুয়াকাটা টিম সোনারগাঁয়ে অজ্ঞাত মহিলার লাশ উদ্ধার চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হাজীগঞ্জে স্হাপনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ভারতীয় সহকারি হাইকমিশনারকে মাস্ক উপহার দিলেন জেলা সমিতি কফি ও কাজুবাদামের চারা বিতরণ উদ্বোধন করলেন -কৃষিমন্ত্রী রাউজান প্রেসক্লাবে জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর ট্রাস্ট প্রকাশিত গ্রন্থ হস্তান্তর নওগাঁয় দুইশত পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দু’জনকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ

চাঁদা না দেওয়ায় তিতুমীর কলেজ ছাত্রের উপর আশুলিয়ার ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ

জিটিসি প্রতিনিধিঃ
সাভারের আশুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে।সরকারি তিতুমীর কলেজ পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী চাঁদা না দেয়ায় হামলার অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি তিতুমীর কলেজের ২০১৬-১৭ সেশনের ৩য় বর্ষের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহ গত রোববার চাঁদা না দেয়ায় হামলার শিকার হয়েছেন। তার দাবি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

মাসুম বিল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, আমি গরিব পরিবারের সন্তান। অভাবের কারণে আমি সাভারের আশুলিয়ার খেজুরবাগান ল্যান্ডমার্কের সামনে ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করি। হঠাৎ এর মাঝে একদিন চেয়ারম্যানের লোকজন এসে আমাকে তাদের প্রতিমাসে পাঁচ হাজার টাকা করে চাঁদা দিতে বলে। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এরপর তারা আমাকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়।’

‘আমি তাদেরকে বলেছি, ভাই- আমি ছাত্র মানুষ। আমি অভাবের কারণে ব্যবসা করি। যেটা দিয়ে আমার পেট চলে। আমি এই করে আমার পড়াশোনার খরচ জোগাই। আমি দ্বিতীয় বর্ষে থাকাকালীন সময় টাকার অভাবে ফরম পূরণ করতে পারিনি। এখন আপনাদের টাকা দিব কীভাবে?’

সে আরও বলেন, তারা আমাকে হুমকি দিয়ে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আবার সবাই আসে। তখন কারো হাতে চাপাতি ছিলো, কারো হাতে ছিলো রামদাঁ, কারো হাতে লাঠি। সবাই এসে আমাকে পিছন থেকে মারধর শুরু করে। একজন আমার হাতে কোঁপ দেয়। আমি ভয়ে দৌঁড় দিলে তারা আমার পেছনে ধাওয়া শুরু করে। এরপর আমি একটা বিল পেরিয়ে খালের মধ্যে ঝাঁপ দেই। এ সময় তারা উপর থেকে আমার গায়ে পাথর, লাঠি ছুড়ে মারতে থাকে। পাথরের আঘাতে আমার মাথা এখনো ফুলে আছে। আমি গত দুইদিন ধরে হাসপাতালে ছিলাম। আমার হাত ও আঙ্গুল ভেঙে গেছে।’

‘আমি খাল পেরিয়ে এক বাথরুমের পাশ দিয়ে পালিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর শুনি আমাকে হাসপাতাল থেকে ওরা তুলে নিয়ে মেরে ফেলতে চেয়েছে। তাই আমি এখন পালিয়ে আমার এক আত্মীয়ের আশ্রয়ে রয়েছি।’

এদিকে আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাহাবউদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমি এই এলাকার জনপ্রতিনিধি আমার নামে এই এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ নেই। তিনি বলেন যারা এই ছেলের উপর হামলা করেছে আমি কথা দিলাম অভিযোগ সত্য হলে আমি তাদের উপযুক্ত বিচারের আওতায় আনা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!