June 24, 2021, 5:18 am

নেত্রকোনায় টিসিবির সয়াবিন তৈল সহ আটক ১

নেত্রকোণা বিশেষ প্রতিনিধি:-

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কৃষ্ণরামপুর বাজারে সরকারী টিসিবির পণ্য ব্ল্যাকে বিক্রির সময় মালামালসহ যুবককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার কৃষ্ণরামপুর বাজারে সরকারী ন্যায্যমূল্যের মালামাল বাজারে ব্ল্যাকের বিক্রির সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। আটককৃতের নাম, আশিক ভ‚ইয়া, সে উপজেলার ভ‚গিয়া গ্রামের সঞ্জু ভূইয়ার ছেলে ও অপর সহযোগী অটো রিক্সা চালক আতিক মালামাল ফেলে রেখে ঐ সময় পালিয়ে যায়। এ সময় ২ লিটারের ২৩ টি টিসিবির বোতল জব্দ করে।
আটককৃত আশিক ভূইয়া স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ব্ল্যাক টিসিবির পণ্য বিক্রির কথা স্বীকার করে জানায়, এই সরকারী মালামাল উপজেলার রামপুর বাজারের টিসিবির ডিলার মুজাহিদুল ইসলাম গত কয়েকদিন ধরে এসব সরকারী ন্যায্যমূল্যের নির্ধারিত পণ্য আমাকে দিয়ে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করাচ্ছে।
কেন্দুয়া উপজেলার ২নং আশুজ্জিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন,আমি সরকালে বাজারে গেলে স্থানীয়রা এই বিষয়টি জানালে দেখি এগুলোর মধ্যে সরকারী সীল ব্যবহার করা পরে বিক্রেতার কাছে জানতে চাইলে তিনি এগুলো রামপুর বাজারের মুজাহিদ ডিলারের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে বলে জানায়। পরে সরকারী ৪৬ লিটার সয়াবিন তৈল জব্দ করে। স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে রাখা হয় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিয়ষটি অবহিত করা হয়।
রামপুর বাজারের অভিযুক্ত টিসিবির ডিলার মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, এই মাল গুলো টিসিবির কিন্তু এগুলো কিভাবে ওখানে গেল আমার জানা নেই। শুনছি স্থানীয় চেয়ারম্যান সাহেব আমাকে বলছেন। এ আমার বিরুদ্ধে ষ্ঢ়যন্ত্র হতে পারে।
রামপুর বাজারের স্থানীয় একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন এই ডিলার মুজাহিদ কোন সময় খোলা বাজারে সরকারী মাল বিক্রি করে না। ফলে আমরা সরকারী সুবিধা থেকে বঞ্চিত হই।
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাশেদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ২৫ লিটার টিসিবির সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে।
কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান এমন খবরের পর থানা থেকে একজন এসআইকে দিয়ে মালামাল গুলো জব্দ করা হয় এবং ডিলারশীপ বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলে জানান ইউএনও।
নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানা নেই আমি খোজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!