September 17, 2021, 4:30 pm

News Headline :
মতলব উত্তরে দি ইনভিন্সিবল ব্যাচ ৯/১১ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ফিনল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাসে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৯০৭ কুয়াকাটাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছে বিডি ক্লিন কুয়াকাটা টিম সোনারগাঁয়ে অজ্ঞাত মহিলার লাশ উদ্ধার চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হাজীগঞ্জে স্হাপনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ভারতীয় সহকারি হাইকমিশনারকে মাস্ক উপহার দিলেন জেলা সমিতি কফি ও কাজুবাদামের চারা বিতরণ উদ্বোধন করলেন -কৃষিমন্ত্রী রাউজান প্রেসক্লাবে জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর ট্রাস্ট প্রকাশিত গ্রন্থ হস্তান্তর নওগাঁয় দুইশত পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দু’জনকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ

মানবতার সেবায় অন্যরকম দৃষ্টান্ত নেওয়াজ নিশাত

শাহিনুর ইসলাম প্রান্ত,
লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নেওয়াজ নিশাত যিনি নিজেকে করোনা যুদ্ধে উৎসর্গ করেছেন, এমন মন্তব্য করেছেন অত্র ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা।

বাংলাদেশে যখন অন্যান্য মন্ত্রী, এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, নেতারা যখন মাঠে মানবসেবায় কাজ করে যাচ্ছে ঠিক তখনই তাদের চেয়ে নিজেকে তিনি ব্যতিব্যস্ত রেখেছেন করোনা সচেতনতা মূলক কাজে। সূর্য উদয় থেকে শুরু করে মধ্যরাত পযর্ন্ত নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন মানবতার সেবায়। জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে স্থানীয়দের এমন অসংখ্য অলোচনায় শীর্ষে উঠে এসেছে এই চেয়ারম্যানের নাম।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন , যদি করোনা যুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশে কাউকে পুরস্কৃত করা হয়, তাহলে যেন ‘ নেওয়াজ চেয়ারম্যান’কে দেওয়া হয়। যার নাম হবে “করোনা জয় এ্যাওয়ার্ড”।

সরেজমিনে গিয়ে অনেকে জানান, সার্বক্ষণিক তিনি চলমান পরিস্থিতিতে সরকারের দেওয়া সকল সচেতনতা বার্তা গ্রামের সাধারন মানুষকে সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে নিরাপদ দ্রুত বজায় রেখে উদ্বুদ্ধ করছেন। বলা যেতে পারে তিনি নিজেকে জনগনের সেবার বিলিয়ে দিচ্ছছেন। মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও সচেতনতায় আরেক নাম নেওয়াজ নিশাত চেয়ারম্যান। বর্তমানে তিনি ছাড়া আমাদের গ্রামে এখন পর্যন্ত কেউ তারমত করে খোঁজখবর নেয়নি। সে পাটগ্রাম উপজেলায় একজন ইউপি চেয়ারম্যান হয়ে মানবতার সেবায় অন্যরকম দৃষ্টান্ত স্হাপন করে চলেছেন।

এলাকাবাসীরা আরো জানান, মধ্যরাতে নিম্মআয়ের মানুষের ঘরে ঘরে ত্রানের বরাদ্দকৃত খাদ্যদ্রব্য পৌছে দিচ্ছেন তিনি। এছারাও নিজেই জনসাধারণের সচেতনতায় মাইকিং করছেন। এছারা নিজের উদ্যোগে নিজের অর্থায়নে মাস্ক, জীবাণুনাশক স্প্রে, চাল, ডাল তৈল, আলু ও সাবান ইত্যাদি বিতরণ করে বেড়াচ্ছেন। এছারা বুড়িমারীতে বুড়িমারীতে ৪ জন ভারত থেকে আসা বাংলাদেশী হোটেল ইভরি ডে তে আইসোলেশ আছে। তাদের সব সময় দেখাশুনা এবং নিজস্ব অর্থায়নে খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

এছারা তিনি যদি কখনো পুরোপুরি লক ডাউন হয়ে যায় সেজন্য ইউনিয়নের প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে ২৭ জনকে নিয়ে একটি করে স্বেচ্ছাসেবী টিম গঠন করেছেন। যখনি প্রয়োজন হবে। এরা কাজে নেমে পরবে।

তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর প্রতিশ্রুতি রাখতে ঘরে বসে না থেকে আপদে- বিপদে সবার পাশে সহায়তা হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন । মনে হচ্ছে নেওয়াজ নিশাতের পরিবার তাকে কোরবানি দিয়েছেন। মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও সচেতনতায় মানবতার সেবার জন্য।

পরিবারিক সুত্রে জানা য়ায়, ওনার বাবা সফিয়ার রহমান ছিলেন অবিভক্ত শ্রীরামপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান। পিতার শিক্ষায় সুশিক্ষিত হয়ে নেওয়াজ নিশাত ঘরে বসে থাকার জন্য চেয়ারম্যান হননি। হয়েছেন জনগণের সেবা করার জন্য। সর্বদা খোঁজ খবর রাখছেন তার ইউনিয়ন বাসীর।

Please Share This Post in Your Social Media

error: Content is protected !!