দৃষ্টিশক্তির সুবিধার গণ্ডি পেরিয়ে চশমা এখন হয়ে উঠেছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অংশ। মেটা এবং রে-ব্যানের যৌথ উদ্যোগে তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন (এআই) স্মার্ট চশমা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনার পাশাপাশি মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
হাত ব্যবহার না করেই শুধু ভয়েস কমান্ড বা ইশারার মাধ্যমে এই চশমা দিয়ে হাই-রেজোলিউশন ছবি, ভিডিও বা লাইভ স্ট্রিমিং করা সম্ভব। তবে এই সুবিধার আড়ালে সাধারণ মানুষের অজান্তেই তাদের ভিডিও ধারণ করে সাইবার হয়রানির ঘটনা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
সম্প্রতি ভারতের কলকাতায় বিদিশা নামের এক কলেজ শিক্ষিকা এবং দিল্লিতে এক ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি এই স্মার্ট চশমার অপব্যবহারের শিকার হয়েছেন। রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় তাদের অজান্তেই চশমার মাধ্যমে ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে তারা চরম ট্রলিং ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন।
শিক্ষিকা বিদিশার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যা ভারতে এ ধরনের প্রথম মামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এছাড়া দিল্লির যন্তরমন্তরে এক বিক্ষোভে আন্দোলনকারীদের শনাক্ত করতে পুলিশের বিরুদ্ধেও এই চশমা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল।
প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই চশমায় ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সময় যে ক্ষুদ্র এলইডি আলো জ্বলে, তা দিনের বেলায় প্রায় বোঝাই যায় না। এমনকি স্টিকার দিয়ে সেটি সহজেই ঢেকে দেওয়া সম্ভব। এর ফলে ফেস রেকগনিশন প্রযুক্তির সাহায্যে মানুষের তথ্য চুরি বা ভিআইপিদের অনুষ্ঠানে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এছাড়া মেটা এআইকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য এসব ব্যক্তিগত তথ্য তাদের সার্ভারে সংরক্ষিত থেকে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি, ভারতে জনবহুল স্থানে গোপনে ভিডিও ধারণের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন না থাকায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়াও আইনিভাবে কঠিন হয়ে পড়ছে।
অন্যদিকে মেটা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তাদের এই স্মার্ট চশমা গোপনীয়তার বিষয়টি মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। রেকর্ডিংয়ের সময় এলইডি আলো জ্বলতে বাধ্য এবং কেউ সেটি ঢেকে দিলে বা নষ্ট করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্যামেরা কাজ করা বন্ধ করে দেবে।
এছাড়া ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকে এ ধরনের হয়রানিমূলক ভিডিও এবং আপত্তিকর হ্যাশট্যাগ ব্লক করতে তারা কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে। তবে প্রযুক্তিগত ফাঁকফোকর ও আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে আধুনিক এই স্মার্ট চশমা এখন নতুন এক আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দৃষ্টিশক্তির সুবিধার গণ্ডি পেরিয়ে চশমা এখন হয়ে উঠেছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অংশ। মেটা এবং রে-ব্যানের যৌথ উদ্যোগে তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন (এআই) স্মার্ট চশমা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনার পাশাপাশি মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
হাত ব্যবহার না করেই শুধু ভয়েস কমান্ড বা ইশারার মাধ্যমে এই চশমা দিয়ে হাই-রেজোলিউশন ছবি, ভিডিও বা লাইভ স্ট্রিমিং করা সম্ভব। তবে এই সুবিধার আড়ালে সাধারণ মানুষের অজান্তেই তাদের ভিডিও ধারণ করে সাইবার হয়রানির ঘটনা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
সম্প্রতি ভারতের কলকাতায় বিদিশা নামের এক কলেজ শিক্ষিকা এবং দিল্লিতে এক ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি এই স্মার্ট চশমার অপব্যবহারের শিকার হয়েছেন। রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় তাদের অজান্তেই চশমার মাধ্যমে ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে তারা চরম ট্রলিং ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন।
শিক্ষিকা বিদিশার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যা ভারতে এ ধরনের প্রথম মামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এছাড়া দিল্লির যন্তরমন্তরে এক বিক্ষোভে আন্দোলনকারীদের শনাক্ত করতে পুলিশের বিরুদ্ধেও এই চশমা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল।
প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই চশমায় ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সময় যে ক্ষুদ্র এলইডি আলো জ্বলে, তা দিনের বেলায় প্রায় বোঝাই যায় না। এমনকি স্টিকার দিয়ে সেটি সহজেই ঢেকে দেওয়া সম্ভব। এর ফলে ফেস রেকগনিশন প্রযুক্তির সাহায্যে মানুষের তথ্য চুরি বা ভিআইপিদের অনুষ্ঠানে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এছাড়া মেটা এআইকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য এসব ব্যক্তিগত তথ্য তাদের সার্ভারে সংরক্ষিত থেকে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি, ভারতে জনবহুল স্থানে গোপনে ভিডিও ধারণের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন না থাকায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়াও আইনিভাবে কঠিন হয়ে পড়ছে।
অন্যদিকে মেটা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তাদের এই স্মার্ট চশমা গোপনীয়তার বিষয়টি মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। রেকর্ডিংয়ের সময় এলইডি আলো জ্বলতে বাধ্য এবং কেউ সেটি ঢেকে দিলে বা নষ্ট করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্যামেরা কাজ করা বন্ধ করে দেবে।
এছাড়া ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকে এ ধরনের হয়রানিমূলক ভিডিও এবং আপত্তিকর হ্যাশট্যাগ ব্লক করতে তারা কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে। তবে প্রযুক্তিগত ফাঁকফোকর ও আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে আধুনিক এই স্মার্ট চশমা এখন নতুন এক আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



