প্রতিটা সফল ব্যক্তির পিছনে সফলতার পিছনে একটা নির্মম সুভ্র সত্য থাকে। একজন মহৎ মানুষের অনুপ্রেরনা সাহষ সাপোর্ট থাকে যা বেশীর ভাগ ক্ষেএেই আড়ালে থেকে যায়।

গল্প টা বাস্তব নাট্যকার চিএকার গীতিকার এরা কেউ সেলিব্রেটি হয়না এদের কে আমরা সে ভাবে চিনি নাহ বাট নায়ক নায়িকা গায়ক গায়িকা এদের কে নিয়ে সব সময় মাতামাতি করি। তাদের সাথে একটা সেলফি তোলার জন্য অস্থির থাকি তাইনা।
এটাই হয়তো নিয়ম এভাবেই চলছে যুগযুগ ধরে ………..

আমার পাশে দারিয়ে থাকা ভদ্রলোকের নাম ইলিয়াশ মিয়া এম এফ ইউ ট্রেডিং এর কর্নধার হ্যা উনিই হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা আর আমি তার হাতে ঘরা একজন অতি সাধারন নারী উদ্যোক্তা।
আমি ব্যক্তি তাহমিনা মিম জিবন চলার পথে দেশ বিদেশে প্রায় ১৮/১৯ বছর চাকরি করেছি আর এই চাকরি জিবন নিয়েই হয়তো আমার জিবনের ইতি হতো।
বাট আল্লাহ পাক আমার ভাগ্য অনেক সম্মান সম্মানোনা লিখে রেখেছিলো। তাই আমার মতো অতি সাধারন একটি মানুষের মাঝে কিছু একটা প্রতিভা দেখতে পেয়েছিলো।
কখনো রাগানিত্ব কখনো স্নেহতূর কখনো অনুরোধের ভাষায় সে নাছর বান্দা হয়ে আমার ব্যবসায়া মুখী হওয়ার পরিকল্পনা চালিয়ে গেছে।
একটা মানুষ কতো টা ধৈর্যশীল হতে পারে সেটা আমি তার কাছ থেকে শিখেছি।আর তার ধৈর্যের ফল আজ আমি বিজনেস করছি।

আমার সফলতার গল্পের পিছনের আসল হিরো ইলিয়াস সাহেব আমি তাকে আমার অন্তরের অন্তর স্থল থেকে দোয়া করি তার জিবনের সফলাতার চুড়ান্ত শিখরে যেনে পৌছাতে পারে আল্লাহ পাক তাকে নেক হায়াত দান করুক।
আমার সব প্রাপ্তি সব সফলতা এ্যায়ার্ড আমি তাকেই উৎসর্গ করতে চাই আজীবন।
একজন সফল নারী উদ্যোক্তা আয়রন লেডি এমএফইউ ট্রেডিং এর চেয়ারম্যান এবং বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থা এর এডভাইজার তাহমীনা নাজনীন মীম এর ফেইসবুক ওয়াল থেকে নেওয়া।



