এস আর শাহ আলম:
আগামী ১৩ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া মা ইলিশ রক্ষা অভিযান সফল করতে চাঁদপুরে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা সফল করতে এবং এ সময় বেকার জেলেদের খাদ্য সহায়তা প্রদানে বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ বছর চাঁদপুরে সরকারি তালিকায় থাকা ৪৩ হাজার ৭৭৫ জেলেকে খাদ্য সহায়তা হিসেবে ২৫ কেজি হারে চাল বিতরণ করবে সরকার।
এতে নীতিনির্ধারণী বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত।
সাখাওয়াত জামিল সৈকত বলেন, ‘তালিকাভুক্ত জেলেরা যাতে যথাসময়ে তাদের খাদ্য প্রণোদনা পেতে পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ করবেন। একই সঙ্গে অভয়াশ্রমে লোভে পড়ে কোনো জেলে যেনো মা ইলিশ নিধন করতে না পারে তার জন্যও প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টানা ২২ দিন তৎপর থাকবে।’
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমরান হোসেন, উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক রাজীব শর্মা, মৎস্যজীবী নেতা তসলিম বেপারী, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বেশ কয়েকজন নেতা।
সভায় চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর আশপাশের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত এ ২২ দিন মা ইলিশ সংরক্ষণে চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনাসহ ৬টি অভয়াশ্রমে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ সময় ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুদ ও সংরক্ষণ এবং ক্রয়-বিক্রয়ও নিষিদ্ধ থাকবে।



