এস আর শাহ আলম:
চাঁদপুর জেলার পৌর সভার পুরানবাজার বাণিজ্যিক এলাকা বাকালি পট্টির ব্রিটিশ আমলের আন্ডারগ্রাউন্ড পানির টাংকি টি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে , এলাকা বাসির উদ্যোগে চার পাশ বাশ খুটি দিয়ে রশি টেনে নিরাপদে রাখার জন্য বেস্টুনি তৈরি করেছে।
জানা যায় বিগত শত বছরের পূরনো এই আন্ডারগ্রাউন্ড পানির টাংকি গুলি করা হয়েছিল বাণিজ্যিক এলাকার অগ্নিকাণ্ড নির্বাপক করার জন্য , সব সময় সরকারি ভাবে কলের পানি দিয়ে টাংকি গুলিি ভরে রাখা হতো, যদি কখনো আগ্নি কান্ডের ঘটনা ঘটে তাহলে ওই টাংকি থেকে ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তর পানি সংগ্রহ করে দ্রুত গতিতে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, কেনো না, তৎকালীন সময়ে, বাজারের মূল অংশ থেকে নদীর দূরত্ব কয়েক কিলো মিটার ছিলো, ফলে পানির সংকট মিটাতে, রিজার্ভ টাংকি গুলি করেছিলো ব্রিটিশ সরকার। যদিও স্বাধীনতার পরে কিছুদিন ওই টাংকি গুলি ব্যাবহার করা হয়, তার পরে ধীরে ধীরে তাহা বিলপ্তির পথে চলে যায়, কালের পরিবর্তনে মেঘনার ছোবলে যেমন পুরানবাজার বাণিজ্যিক এলাকা নদী গর্ভে চলে যায়, ঠিক তেমনি করে চাঁদপুর পৌরসভার আয়োজনে এলাকা বৃত্তিক সাপ্লাই পানি সরবরাহ করতে ভাসমান রিজার্ভ টাংকি তৈরি করে, পানির চাহিদা মিটানো শুরু করেন। এতে করে আন্ডারগ্রাউন্ড টাংকি গুলি রক্ষনা বেক্ষনের অভাবে ওই টাংকি গুলি বেদখল হয়ে পরে, কেউ কেউ দোকান পাট উঠিয়ে ব্যবসা শুরু করে কেউ বা চলাচলের রাস্তা করে আবার কেউ উপরে মাটি ফেলে ডেকে দিয়ে সামনের অংশটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহার করতে দেখা যায়, এতে করে বাণিজ্যিক এলাকার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা গুলি আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস পানির সংকট পোহাতে হিমশিম খেতে হয় বলে পুরানবাজার ফায়ার সার্ভিস জানান।
এমন অবস্হায় ওইসব আন্ডারগ্রাউন্ড টাংকি গুলি ঝড়াজিন্ন বেহাল দশায় পরিণত হয়, গত কয়েক দিন ধরে পুরানবাজার বাকালি পট্টি মাছ বাজার সংলগ্ন আন্ডারগ্রাউন্ড টাংকির উপর থেকে রাস্তার মাটি ধসে পরে বড় আকার ধারন করে, রাস্তা থেকে প্রায় ১০ ফুট গভিরতা দেখা গেলেও বিরাট এই টাংকির চারপাশ ধুমরে মুচরে ভেঙে পরে বড় মরণ ফাঁদে রুপান্তরিত হয়, এতে করে ওই রাস্তা দিয়ে ভাড়ি যানবাহন চলাচলে ঝুকিপূর্ণ বলে এলাকা বাসি বলেন, তাছারা ছোট খাটো রিক্সা বা অটোবাইক চলাচলেও দূর্ঘটনার শিকার হতে পারে বলে, আশ পাশের দোকানিরা বাশের খুটি পুতে রশি দিয়ে ধসে পড়া যায়গার চারপাশ বেস্টুনি দেওয়া হয়, ফলে সাময়িক ভাবে আশপাশের মানুষ সহ পথচারীরা রক্ষা পেলেও বড় দূর্ঘনার আশংকা কাটেনি, যে কোন মূহুর্তে প্রাণ হানির ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করেন এলাকা বাসির। আর তাই এ বিষয়ে চাঁদপুর পৌর প্রশাসকের দৃষ্টি কামনা করেছেন পুরানবাজার বাসি।



