এস আর শাহ আলম :
চাঁদপুর শহরের প্রাণ কেন্দ্র বাণিজ্যিক এলাকার পুরানবাজার রাস্তা হলো মরণ ফাঁদ , যাহা চোঁখে দেখলে মনে হয় না, এটা দেশের অন্যতম পৌরসভার চাঁদপুর পৌর এলাকার ১ নং ও ২ নং ওয়ার্ড, এক কথায় পৌর সেবা থেকে পুরানবাজার বাসি বঞ্চিত।
আওয়ামী লীগ সরকার আমলের ১৬ বছরেও লোহারপুল থেকে রয়েজ রোড টি মেরামত করা হয়নি, ফলে প্রতি বছরে বর্ষা মৌসুমে ছোট বড় গর্তে পরিণত হয়, যদিও ঈদ কে সামনে রেখে কোন রকম জোরা তালি দিয়ে খানা খদ্দ গুলি পালিশ করা হতো, তাতে মাস খানেক পরে আবার পূর্বের চিএে ভেসে উঠতে দেখা গেছে। আর আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে আন্তবর্ত্বি সরকার এর ৫ মাস পেরিয়ে গেলেও পৌর প্রশাসক এর নজরে পরেনি রয়েজ রোড টি তাই বর্তমানে রাস্তাটি ছোট বড় গর্তে পরিণত হয়ে যান চলাচলে ঝুকিপূর্ণ হয়ে গেছে বলে চালকরা বলেন, সরজমিন দেখা যায় লোহারপুল থেকে মাঠের কোনা পর্যন্ত ভেহাল দশায় পরিণত হয়েছে, এতে করে যানচলাচল অনুপোযুগি হয়ে গেছে, তাছারা এই রাস্তাটি দিয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন চলাচল করে, যেমন এই রাস্তায় রয়েছে, হরিসভা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তারপাশেই সরকারি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়, মধু সূদন উচ্চ বিদ্যালয়, ও রিভার সাইড কিন্ডার গার্ডেন, মেরকাটিজ রোডে ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,ওচমানিয়র সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, এবং নিতাইগঞ্জ রোড মার্সেন্স একাডেমি, এই প্রতিষ্ঠান গুলির হাজার হাজার শিক্ষার্থী এই রয়েজ টোড টি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দূর্ঘটনার শিকার হয়, তাছারা অটোবাইক ও অটো রিক্সা গুলি একে অপর কে সাইট দিতে গিয়ে দূর্ঘটনার শিকার হয় যাএী সাধারণ এমনটাই বলেন আশ পাশের দোকানীরা, তাছারা গাড়ির চাকা ভেঙে মালিক পক্ষ আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে চালকরা বলেন। ঠিক একই রোডে লোয়ারপুল থেকে স্কুল সংলগ্ন ড্রেনের নির্ন্মান কাজ করা হলেও ড্রেনের উপরে ডাকনার কাজ হয়নি, বিগত কয়েক মাস খোলা ড্রেনেজ এর কারনে ও দূর্ঘটনার শিকার হয় পথচারিরা,
অপর দিকে একই সরকের নিতাইগঞ্জ রাস্তা ড্রেনের ৮০ ভাগ কাজ বিগত সরকার আমলে শেষ করা হলেও বর্তমান সরকার বাকি ২০% কাজ করতে পারেনি ফলে এই রাস্তাটির বিছানো ইটের সরকি গুলি গাড়ির চাকায় পিস্ট হয়ে ছিটকে পথচারি সহ আশ পাশের দোকানের ভীতরে এসে পরে, ফলে পথচারি সহ দোকানীরাও শাড়িরিক ভাবে রক্তাক্ত হয়, এবং বাতাসে ধুলাবালি উড়ে এসে পথচারিদের চোঁখে মুখে পরেও দূর্ঘটার শিকার হয় মানুষজন। এমনটাই অভিযোগ করেন এলাকাবাসি, আর শ শ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বলে আমরা এই বেহাল রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে হিমশিম খাই, অটোবাইকে উঠলে, মনে হয় চাকা গর্তে পরে এক পাশে কাত হয়ে রাস্তায় পরে যায় এমনটাই মনে হয়, যদি গাড়ি উল্টে পরে না তারপরে মাথায় বা শড়িরের বিভিন্ন স্হানে আঘাত লাগে, আর ধুলাবালির ত বালাই নেই, ফলে মনে হয় রাস্তা এখন মরণ ফাঁদ।
এদিকে চাঁদপুর একমাএ বাণিজ্যিক এলাকা পুরানবাজার এখান থেকে পাইকারি ও খুচরা বিক্রয়কৃত বিভিন্ন খাদ্য পণ্য, জেলা সহ জেলার আশ পাশের জেলায় আমদানি ও রপ্তানি করা হয়, প্রতিদিন শত শত ডিস্টিক ট্রাক, কভার ভেন, সহ পিকাপ গাড়ি করে আমদানি রপ্তানি মালামাল নিয়ে আশা যাওয়া করতে এই প্রধান ফটক লোয়ারপুল থেকে রয়েজ রোড হয়ে মেরকাটিজ রোড অথবা নিতাইগঞ্জ রোড ছারা অন্য কোন উপায় নেই, ফলে এই মরণ ফাঁদে ভেহাল দশার রাস্তা দিয়ে ওইসব গাড়ি গুলি চলাচল করছে নিরুপায় হয়ে,, ট্রাক চালকরা বলেন রাস্তার ভেহাল দশার কারনে গাড়ির যএাংশ ক্ষতিগ্রস্হ হচ্ছে , এবং, এটা জেলার বাণিজ্যিক এলাকার রাস্তা তাহা মনে হয় না, এর চেয়ে গ্রাম অঞ্চলের রাস্তা অনেক ভালো। আর পুরানবাজার বাসি বলেন আমরা পৌর বাসি হয়েও পৌর সেবা সঠিক ভাবে পাই না, বলতে গেলে সেবা থেকে আমরা বঞ্চিত। বর্তমানে রয়েজ রোড আর নিতাইগঞ্জ রোড টি দিয়ে মানুষ চলাচল করতে পারছে না, আর ধুলাবালির কারনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসতে পারছে না, বাতাসের কারনে ধুলা বালি উড়ে দোকানের ভীতরে প্রবেশ করছে, আর পথ চারিরাও রাস্তায় হাটতে পারে না, ড্রেনের ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ডাকনার মুখে হোচট খেয়ে পরে শাড়িরিক ভাবে আঘাত প্রাপ্ত হয় প্রতিনিয়ত। আর তাই এই দুইটি রাস্তা জরুরি মেরামত করতে জেলা প্রশাসক সহ পৌর প্রশাসক এর সু দৃষ্টি কামনা করেছেন পুরানবাজার বাসি।



