হাইমচর প্রতিনিধি।
হাইমচর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ নং আলগী দক্ষিণ ইউনিয়নের গন্ডামারা, বর্ডারপুর সহ একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে সাতজন মাদক ব্যবসায়ীকে হঠাৎ করে হ্যান্ডসেট থানা পুলিশ।
গত ২৭ আগস্ট রবিবার রাতে এই অভিযান চালায় হাইমচর থানা পুলিশ। সাত জনের মধ্যেই কাইয়ুম মুন্সী,এমরান মুন্সি ও আব্দুল আলী,গত কয়েক মাস পূর্বে হাইমচর উপজেলার বিখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী কানা জসিমের সাথে চাঁদপুরের ডিবির হাতে ১০০০ পিস ইয়াবা নিয়ে আটক হয়।সেই কাইয়ুম মুন্সী সহ তার ভাই এমরান মুন্সী,আব্দুল আলী সহ এরা সকলেই কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী কানা জসিমের সহচর হয়ে মাধব বিক্রি করে থাকে।
এদের মধ্যে কেউ মাদক সংগ্রহ করে রায়পুর, হায়দারগঞ্জ,ফরিদগঞ্জসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে।আবার কেউ পাইকারি বিক্রেতা,কেউ আবার খুচরা বিক্রেতা,এদের সিন্ডিকেট চিটাগাং শরীয়তপুর বরিশাল এবং নোয়াখালী পর্যন্ত বিস্তীর্ণ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার এক সুশীল ব্যক্তি বলেন, মরণ ভূইয়ার ছেলে কানা জসিম শুধু তার লেবাস পরিবর্তন করেছে,এটা এখন নিজেরা বিক্রি করে না,শেষমেন দেরকে দিয়ে খুচরা বিক্রি করায়।কেন জসিমকে আইনের আওতায় আনলে আনসারের মাদক ব্যবসায় ধশনেমে আসবে।
গোপন বৈঠকের গোপন তথ্যে প্রকাশ পায় যে,দক্ষিণ অঞ্চল কানা জসিমের,নিজে ধরাছোঁয়ার বাহিরে থেকে লোকাল স্যলস ম্যান দিয়ে খুচরা বিক্রি করাচ্ছে।এলাকাবাসী বলেন,,কানা জসিম এখন লেবাস পরিবর্তন করেছে এবং খুচরা বিক্রেতা থেকে এখন হোল সেলস ডিলার হয়েছে।কাইয়ুম ও এমরান আব্দুল আলী এরা কানা জসিমের বেয়াই হয়।তাঁরা নিকটতম আত্নীয় বটে।
মাদক সংগ্রহ কারী,মাদক পাচারকারী এবং অর্থের ডোনার রয়েছে।হাইমচরে বর্তমানে লেবাস পরিবর্তন করে ট্রাক সোহেল,কানা জসিম,চোরা সামসু সহ,সকল দিক ম্যনেজ করে নিজেদের,পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা চলছে তো চলছেই।সকল গাজাঁ ও ইয়াবা নিরাপদে পৌঁছাতে কাজ করছে দুই-তিনজন,এবং কানা জসিমের স্যেলস ম্যানদের ধাড়া এ খুচরা বিক্রি ও খুচরা পার্টির কাছে মাল পৌঁছায় এবং টাকা কালেকশন করেন-কানা জসিমের তিন বেয়াই,কাইয়ুম মুন্সী,এমরান মুন্সী ও আব্দুল আলী।
এরা তিনজনই বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে,কিন্তু অপরাধীদের অপরাধ করতে যাঁরা কাইয়ূম এমরান তৈরি করছে তারা আঁধারেই রয়ে গেলো।ইয়াবা সংগ্রহ কারী একদল,ইয়াবা পাচার কারী একদল,লাখপতি ইয়াবা ব্যাবসায়ী,হাজারপতি ইয়াবা ব্যবসায়ী ও শ’পতি ইয়াবা ব্যবসায়ী,,,এরপর সেবনকারী।
শুধু সেবনকারী ও খূদ্র ব্যবসায়ীদের আটক করলে প্রশাসনের কেরিয়ারে সুফল বয়ে আনবে।কিন্তু গাছের ডালপালা ও গাছের মালিক’দের প্রতি সুক্ষ্ম নজরদারি রেখে,হাজার ও লাখ পিচ(ড্রাগস,মাদক ও তামাক ব্যবসায়ীদের আটক করা হউক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভূইয়া কান্দির একজন শিক্ষিত সামাজিক ব্যক্তি বলেন,,কানা জসিমের বাবা কোটিপতি নয়,কানা জসিম কোন ঠিকাদারি বা স্থানী ব্যবসায় নেই।তবুও এত টাকার উৎস কি?পুলিশ চাইলে সবই সম্ভব,পুটিমাছের দিকে না তাকিয়ে,বোয়াল মাছের দিকে তাকান,সেখানে আইনের প্রয়োগ করুন।
হাইমচর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইয়াসিন সহ প্রশাসনের নজরদারির মাধ্যমে কানা জসিমের সকল মাদক ব্যবসার কৌশল বুজতে পারবেন।।



