তরুণ প্রজন্মকে স্ক্রিন ছেড়ে বইয়ের পাতায় ফেরাতে এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক চেতনা গড়ে তুলতে বইমেলার ভূমিকা অতুলনীয় – তানিয়া ইশতিয়াক
প্রাণের শক্তি বাড়ায় বই, বই পড়ে মানুষ হই- শ্লোগানে পথ চলা প্যাপিরাস পাঠাগার একক উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজন করেছে একদিনের বইমেলা। শনিবার ২৫ জুলাই চাঁদপুর শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডের চাঁদ টাওয়ারস্থ প্যাপিরাস পাঠাগার কার্যালয়ের সামনে এ মেলার আয়োজন করা হয়। বেলা সাড়ে তিনটায় ফিতা কেটে বইমেলা উদ্বোধন করেন পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক কবি আইরিন সুলতানা লিমা। তিনি বলেন, সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে সবার আগে বইয়ের দিকে ধাবিত হতে হবে। বই না পড়লে, শিক্ষার আলো না থাকলে একটি জাতি বেশি দূর এগোতে পারে না।
বইমেলার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সভাপতিত্বে, সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন ইয়ূথ ফোরাম বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর অ্যাডভোকেট আলেয়া বেগম লাকী।
বিজয়ী-এর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন তরুণ প্রজন্মকে স্ক্রিন ছেড়ে বইয়ের পাতায় ফেরাতে এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক চেতনা গড়ে তুলতে বইমেলার ভূমিকা অতুলনীয়।
বইমেলা শুধু বই কেনার জায়গা নয়, এটি জ্ঞান অন্বেষণ, মননশীলতার বিকাশ এবং নতুন চিন্তার দুয়ার উন্মোচন করার এক মহা মিলনমেলা।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপ-সভাপতি ফেরারী প্রিন্স, নাট্যজন ও সাংবাদিক মোহাম্মদ আলমগীর, ভাসানী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংঘের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রাজিব ও ব্যবসী মনির হোসেন খান। সার্বিক তত্ত্বাধানে ছিলেন বইমেলার সদস্য সচিব মিজানুর রহমান স্বপন।
বইমেলার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, বই পাঠে মানুষকে উৎসাহিত করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বইয়ের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হলে যুব সমাজ অন্যায় কাজ থেকে দূরে সরে থাকবে। দেশকে সমৃদ্ধ করতে হলে সবার আগে শিক্ষাব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করতে হবে। কুসংস্কারমুক্ত একটি দেশ গড়ার জন্যে বেশি বেশি বই পড়া এবং বইমেলার আয়োজন করা এখন সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন, এ মেলা প্রতি বছর করার চেষ্টা থাকবে। খুব অল্প সময়ের প্রস্তুতিতে আয়োজনটি করতে হচ্ছে। আরও দীর্ঘসময় নিয়ে কাজ করলে আরেকটু ভালোভাবে করা যেতো।
মেলায় পাঠক-পাঠিকার ব্যাপক উপস্থিতি ও উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে নারী পাঠকের সংখ্যা বেশি দেখা গেছে।



